ঢাকা মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬


https://www.ajkerbazzar.com/wp-content/uploads/2025/06/728X90_Option.gif

তারেক-জোবায়দা আইনজীবী পাবেন কিনা আদেশ ১৩ এপ্রিল


স্মার্ট প্রতিবেদক
৯:১৮ - রবিবার, এপ্রিল ৯, ২০২৩
তারেক-জোবায়দা আইনজীবী পাবেন কিনা আদেশ ১৩ এপ্রিল

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জোবায়দা খান ওরফে জোবায়দা রহমানআইনজীবী দিয়ে আইনি লড়াই করতে পারবেন কিনা আদেশ বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল)।

রবিবার (৯ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. আছাদুজ্জামানের আদালতে এ বিষয়ে শুনানি শেষে আদেশের এ দিন ধার্য করেন। এদিন দুপুর ১২ টার কিছু আগে তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানের পক্ষে মাসুদ আহমেদ তালুকদার ন্যায়বিচার নিশ্চিতে শুনানিতে অংশ নেওয়ার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন।

এসময় দুদকের পক্ষে প্রসিকিউটর মোশাররফ হোসেন কাজল এর বিরোধীতা করেন। তিনি বলেন, তাদের আইনের আশ্রয় নিতে কে নিষেধ করেছে। উনি (তারেক রহমান) থাকবেন লন্ডনে রাজকীয় ভবনে। আর বলবেন তাকে আইনের আশ্রয় লাভের সুযোগ দেয়া হচ্ছে না। বলবেন, তাদের সুযোগ দিন। কিন্তু তারা লন্ডনে থাকবেন। আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছেন তিনি। উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত (আসামি পলাতক থাকলে) থাকার পরও তারা আইনজীবী নিয়োগের আবেদন করেন। আমরা মনে করি, এটা আদালতের সময় নষ্ট ও আদালত অবমাননার সমান।

এরআগে আপিল বিভাগ তারেক রহমান ও তার স্ত্রী জোবায়দা রহমানের আবেদন খারিজ করে বিচারিক আদালতে আশ্রয় লাভের নির্দেশ দেন। কিন্তু তারা তা করেননি। নতুন একটা আবেদন নিয়ে এসেছে। আবেদনটি খারিজ করে চার্জশুনানি শুরু করার প্রার্থণা করেন মোশাররফ হোসেন কাজল। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত এ বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন।

এর আগে গত বছরের ১ নভেম্বর তারেক ও জোবায়দার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। তবে তাদের গ্রেপ্তার করতে না পারায় সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেন আদালত।

এদিকে মামলা থেকে জানা যায়, ঘোষিত আয়ের বাইরে ৪ কোটি ৮১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৬১ টাকার মালিক হওয়া এবং সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর কাফরুল থানায় এ মামলা করে দুদক। মামলায় তারেক রহমান, জোবায়দা রহমান ও তার মা অর্থাৎ তারেক রহমানের শাশুড়ি ইকবাল মান্দ বানুকে আসামি করা হয়। পরে ২০০৯ সালের ৩১ মার্চ আদালতে ওই ৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয় তারেকের। এছাড়া জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলাসহ আরো ২টি মামলায় তাকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে।