যারা
ধৈর্য ধরতে পারেন নাই, বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছেন, আল্লার কসম- ক্ষমতায়
যাওয়ার আগে দেশের জনগণ যাদের হাতে নিরাপদ নয়, ক্ষমতায় যাওয়ার পর জনগণ
আরো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়বে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর
ডা. শফিকুর রহমান।
শুক্রবার দুপুরে নোয়াখালীর
মাইজদী শহরের জেলা স্কুল মাঠে আয়োজিত ১১ দলীয় জোটের নিবাচর্নী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুর রহমান বলেন,
যারা দেশকে ভালোবাসার প্রমাণ দিতে পেরেছে। তাদের হাতে যদি দেশ আসে তাহলে
ভালোবাসার একটা দেশ তৈরী করা সম্ভব। মানুষ বুঝতে পেরেছে। তাই সারা বাংলায়
এখন বাধ ভাঙা জেয়ার শুরু হয়েছে ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে। শুধু নোয়াখালী না,
সারা বাংলায় আমি যেখানে যাচ্ছি মানুষের ভালোবাসা দেখতে পাচ্ছি। বিশেষ করে
জুলাই যুদ্ধ যারা করেছে সেই যুব সমাজ মুখিয়ে আছে ১৩ তারিখ থেকে নতুন একটি
বাংলাদেশ দেখার জন্য। তারা বুঝতে পেরেছে জুলাই চেতনার আকাঙ্ক্ষা কাদের যারা
বাস্তবায়ন হবে।
তিনি আরও বলেন, দুর্নীতির মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার
জন্য লড়াই শুরু হয়েছে। আমরা সরকারি কর্মচারীদের ন্যায় সঙ্গত দরদের সাথে
বিবেচনায় নিয়ে পে-কমিশনকে বলব যথাযত রিকমেনন্ডেশন আমাদের কাছে দেন। যাতে
একটি মানুষ সরকারি চাকরি করার পরে দ্বিতীয় কোন রুজির সন্ধ্যান করতে না হয়।
আর টেবিলের নিচে যেন হাত দিতে না হয়। এরপর যারা সততার রাস্তা যারা ছেড়ে
দিবেন, সংশোধন না হলে কঠোর ব্যবস্থা নেব।
জনসভায়
নোয়াখালী বিভাগ বাস্তবায়ন, নোয়াখালী সিটি কর্পোরেশন গঠন, নোয়াখালী
বিমানবন্দন স্থাপনের মতো নোয়াখালীবাসীর গুরুত্বপূর্ণ ৬ দাবি কবুল করে নিয়ে
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তারা ক্ষমতায় গেলে পর্যাক্রমে এই দাবি সমূহ
বাস্তবায়নে কাজ করবেন।
সমাবেশে নোয়াখালী জেলা জামায়াতের আমীর ইসহাক
খন্দকারের সভাপতিত্বে জাগপা নেতা রাশেদ প্রধান, এনসিপির মূখ্য সংগঠক
হান্নান মাউসুদ’সহ ১১ দলীয় দলের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।