জাতিসংঘের অধীনে ওসমান হাদি হত্যার তদন্ত ও হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে জড়ো হন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা। এ সময় পুলিশ তাদের সরিয়ে দিতে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে ইনকিলাব মঞ্চের জাবের ও রাকসুর জিএসসহ আহত অন্তত ২৩। তারা ঢাকা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর শাহবাগের হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে থেকে বাংলামোটর এলাকাজুড়ে এ সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।
জানা গেছে, শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় থেকে যমুনা অভিমুখে যাওয়ার সময় পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগিয়ে যেতে গেলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এ সময় আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান ও টিয়ারগ্যাস ব্যবহার করেছে। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সেনা ও র্যাব সদস্যরাও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছেন।
ইনকিলাব মঞ্চের নেতাদের দাবি, জুমার নামাজের পর সেখানে সমবেত হলে পুলিশ লাঠিচার্জ ও গুলি ছোড়ে। এতে সংগঠনের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হন। সংঘর্ষে রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মারসহ বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন।
এদিকে শুক্রবার বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে ইনকিলাব মঞ্চ তাদের ফেসবুক পোস্টে জানায়, সংগঠনের নেত্রী জুমা ও শান্তাকেও আঘাত করা হয়েছে।
আরেকটি পোস্টে সংগঠনটি জানায়, আপাতত কোনো ধরনের জমায়েত না করতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
পোস্টে বলা হয়, ‘চিকিৎসা শেষে আমরা আবার রাজপথে ফিরব। সে পর্যন্ত সবাইকে নিরাপদে থাকার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।’