ঢাকা রবিবার, আগস্ট ২, ২০২৬


https://www.ajkerbazzar.com/wp-content/uploads/2025/06/728X90_Option.gif

নোয়াখালীর সমাবেশে প্রশাসনের শর্ত লঙ্ঘন, উস্কানি ও মিথ্যাচারের অভিযোগ


স্মার্ট প্রতিনিধি
৯:১৯ - রবিবার, আগস্ট ২, ২০২৬
নোয়াখালীর সমাবেশে প্রশাসনের শর্ত লঙ্ঘন, উস্কানি ও মিথ্যাচারের অভিযোগ

নোয়াখালীতে একটি ধর্মীয় সমাবেশে প্রশাসনের আরোপিত শর্ত লঙ্ঘন করে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য, মিথ্যাচার এবং উচ্ছেদের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে সংগঠনটি। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা এবং সদস্যদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।

গতকাল শনিবার সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন এক বিবৃতিতে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, নোয়াখালী জেলা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে প্রশাসনের অনুমোদনের শর্ত অমান্য করে কওমি ও হেফাজতের নেতৃবৃন্দ হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান করেন। জেলা পুলিশের অনুমোদনপত্রে কোনো নির্দিষ্ট সংগঠনের বিরুদ্ধে বক্তব্য না দেওয়ার শর্ত থাকলেও আয়োজকরা তা উপেক্ষা করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়।

সংগঠনটির দাবি, গত ১০ থেকে ১৫ দিন ধরে নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুর অঞ্চলের বিভিন্ন মসজিদে উসকানিমূলক বয়ান এবং মিথ্যা হ্যান্ডবিল বিতরণের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। এতে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, হেযবুত তওহীদ ইসলামের প্রকৃত আকিদা-বিশ্বাসে আস্থাশীল হওয়া সত্ত্বেও তাদের ‘কাফের’ আখ্যা দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সংগঠনটির দাবি, গত ৩১ বছরে বিভিন্ন মামলায় তারা আদালত থেকে বেকসুর খালাস পেয়েছে এবং কখনো আইন অমান্য করেনি।

এছাড়া ২০১৬ সালে মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে সংগঠনের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিমের বাড়িতে হামলার ঘটনাও উল্লেখ করা হয়। সেই সময় দুই সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল বলে দাবি করে সংগঠনটি জানায়, সাম্প্রতিক হুমকি ও উসকানির কারণে সদস্যরা পুনরায় আতঙ্কে রয়েছেন।

এ পরিস্থিতিতে প্রশাসনের শর্ত লঙ্ঘন করে উসকানিমূলক বক্তব্য ও হুমকি প্রদানকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, নোয়াখালীসহ সারাদেশে সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সোনাইমুড়ীর পোরকরা এলাকায় সংগঠনের ইমামের বাড়ি, মসজিদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থাপনার নিরাপত্তা জোরদার করা, পাল্টা সমাবেশের অনুমতি প্রদান এবং প্রচারিত হ্যান্ডবিলের জবাবে নিজেদের বক্তব্য জনগণের কাছে পৌঁছাতে প্রশাসনিক সহায়তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

একই সঙ্গে নোয়াখালীর প্রশাসন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে। দাবি পূরণ না হলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও সতর্ক করেছে সংগঠনটি।