

রোহিঙ্গাদের জন্য ৭৯ মিলিয়ন ক্রোনা বা ৭.৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত আলেকজান্দ্রা বার্গ ভন লিন্ডে। কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে দুই দিনের সফর শেষে তিনি এ সহায়তার ঘোষণা দেন।
জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায় এ তথ্য।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই অনুদানের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের রান্নার জন্য পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, কক্সবাজারের পরিবেশ ও বাস্তুতন্ত্রের উন্নয়ন এবং শরণার্থী ও স্থানীয় বাংলাদেশিদের দক্ষতা ও উন্নয়নমূলক কাজ করা হবে। নিরাপদ জ্বালানি ও শক্তির জন্য এসব কর্মকাণ্ড জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও), জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা (আইওএম), জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর ও বিশ্ব খাদ্য সংস্থার (ডব্লিউএফপি) যৌথ কার্যক্রম ‘সেফ এক্সেস টু ফুয়েল অ্যান্ড এনার্জি প্লাস, ফেজ ২’ (সেফ+২) এর আওতাধীন।
এ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত আলেকজান্দ্রা বার্গ ভন লিন্ডে বলেন, কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থী ও তাদের আশ্রয়দানকারী স্থানীয় বাংলাদেশিদের জীবনে সেফ+২ প্রোগ্রামের ইতিবাচক প্রভাব দেখে আমি মুগ্ধ। ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আগমনের একটি প্রভাব পড়েছিল কক্সবাজারের বনভূমির একটি বড় অংশের ওপর। আর সেফ+২’র মাধ্যমে বিস্ময়করভাবে শরণার্থী শিবিরগুলোর আশপাশের জায়গাগুলোতে পুনরায় সবুজায়ন ও পুনরায় বনায়ন হচ্ছে।
এই যে শরণার্থীরা এখন পরিচ্ছন্ন জ্বালানির মাধ্যমে রান্না করছেন, এর মাধ্যমে বনভূমির ও তাদের স্বাস্থ্যের উন্নতি হচ্ছে, আর পরিবেশ রক্ষার মাধ্যমে শরণার্থী ও স্থানীয় বাংলাদেশিরা দক্ষতা উন্নয়ন ও জীবিকামূলক কাজে জড়িত হচ্ছেন, এটা অসাধারণ একটি অর্জন। এখানে অবদান রাখতে পেরে আমরা আনন্দিত।
ইউএনএইচসিআর’র বাংলাদেশে নিযুক্ত প্রতিনিধি ইয়োহানেস ভন ডার ক্লাও জানান, সুইডেনের সরকার ও এর জনগণের এই অনুদানের মাধ্যমে আমরা ১ লাখ ৯০ হাজার শরণার্থী পরিবারকে লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) দিতে পারবো।